মহিমান্বিত জুমুআ

মহিমান্বিত জুমুআ

1 customer review
Sold: 4

83৳ 

-25%

বই- মহিমান্বিত জুমুআ (জুমুআ’র দিনের আমল ও বিধিবিধান)

  • মূল- শাইখ মুস্তফা আল আদাবি
  • অনুবাদ- জুবায়ের রশীদ
  • মোট পৃষ্ঠা- ৭২
  • বাইন্ডিং- পেপারব্যাক

বই প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ- ২৩ অক্টোবর’২০২২ ইন শা আল্লাহ।

একটু পড়ে দেখুন

83৳ 

Add to cart

জুমুআর দিন বলতেই আমরা বুঝি সপ্তাহ শেষে ছুটির দিন। শুক্রবার এলে পুরো সকাল ইচ্ছেমতো ঘুমাব, দুপুরে জম্পেশ খাবার খাব, আর বিকেলে উদাস নয়নে ঘুরে বেড়াব। মুসলমান হিসেবে মাঝখানে দুপুর বেলায় মাসজিদে একটুখানি হাজিরা দিয়ে আসব।

জুমুআর দিনে আমাদের অধিকাংশের প্ল্যান-প্রোগ্রাম এর ব্যতিক্রম হয় না। বেঘোর ঘুম, জম্পেশ খাওয়াদাওয়া আর উদাস ঘুরে বেড়ানো ছাড়া ছুটির দিনে আর কীই-বা করার আছে!

কিন্তু জুমুআর দিন কি আমাদের জন্য সত্যিই ছুটির দিন? না; জুমুআর দিন আমাদের জন্য ছুটির দিন নয়। জুমুআর দিন হলো আমাদের জন্য আমলের দিন, অগণিত সাওয়াব হাসিলে নিজেদের ব্যস্ত রাখার দিন। ঘুম, খাওয়া আর টইটই করে ঘুরে বেড়িয়ে উদাস হওয়ার দিন নয়।

জুমুআর দিন সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত পুরোটা সময় রয়েছে নানা ধরনের ইবাদাতের সুযোগ। সূরা কাহফ তিলাওয়াত, সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠা, গোসল করে খুশবু লাগিয়ে আগে আগে মাসজিদে চলে যাওয়া এবং শেষ বিকেলে আল্লাহর কাছে যা ইচ্ছে তাই চেয়ে নেওয়ার মতো অগণিত আমল রয়েছে মহিমান্বিত এই জুমুআর দিনে।

জুমুআর দিনের সুন্নাহ, করণীয়-বর্জনীয় এবং এ দিনের মাহাত্ম্য নিয়ে বাংলা ভাষায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ বই হিসেবে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে শাইখ মুস্তফা আল আদাবী রচিত ‘মহিমান্বিত জুমুআ’। ছুটির দিন হিসেবে খ্যাত আমাদের জুমুআর দিনকে মহিমান্বিত করে তুলতে এ বইটি হয়ে উঠবে পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা, ইনশা আল্লাহ্‌।

1 review for মহিমান্বিত জুমুআ

  1. Mohd. Kaif Hossain Mozumder

    সপ্তাহের বেশিরভাগ সময় কঠিন ব্যস্ততায় কাটানোর পর প্রথম ছুটির দিন শুক্রবার। এই দিনটি আমাদের সকলের জন্য একটি মুক্তির সুযোগের মতো। আল্লাহর রাসুল (সাঃ) এটাকে সাপ্তাহিক ঈদ বলে অভিহিত করেছেন। এই দিনটিকে আমরা সত্যিকার অর্থে নানাভাবে অবহেলা করি। অনেকে ফজরের সালাত জামআতে তো আদায় পর্যন্ত করি না। অথচ পুরো দিনটিকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাটিয়ে দিলে আল্লাহ আপনাকে অনেক উঁচু মর্যাদা এবং পুরষ্কার দিতে পারেন। এটি আপনার গুনাহসমূহকে মুছে দেওয়ার একটি দরজা। আপনি সালাত করবেন, আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করবেন, দুরুদ পড়বেন, সূরা কাহাফ পড়বেন আরও নানাকিছু। কিন্তু একদিনের বিনোদনের বা বিশ্রামের নাম করে এই দিনটি প্রতিবার কাটিয়ে দিলে আল্লাহর সামনে আপনি অবসর সময়ের হিসাব দিবেন কীভাবে? তাই, আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর কথাকে স্মরণ করে হলেও আমাদের উচিত এই মহিমান্বিত দিনে তাকে বেশি করে ডাকা। ‘মহিমান্বিত জুমুআ’ বইটি জুমুআ’র দিনের আমল এবং ফজিলত নিয়ে মূলত আলোচনা করে। যা আপনাকে এই দিনের সুযোগগুলোকে দেখিয়ে দিবে। অবশ্যই আপনার জন্য উচিত হবে সেগুলোকে হাতছাড়া না করা।

Add a review

Your email address will not be published. Required fields are marked *